প্রবন্ধ

সিপাহসালার

সিপাহসালার(চলমান একটি যৌথ গবেষনার কিছু অংশ বিশেষ।)

সিপাহসালার [চলমান একটি যৌথ গবেষনার কিছু অংশ বিশেষ।]

সৈয়দ হোসাইন উল হক

বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থে বর্ণনা অনুসারে তুর্কি বিজয়ের মধ্য দিয়ে শ্রীহট্টে মোসলমান জন বসতি গড়ে ওঠে ছিল । তৎকালীন বাংলাদেশের সিলেটে যবন হিন্দু রাজা গৌর গোবিন্দের গৌর রাজ্যের টুলটিকর মহল্লায় ১৩টি মুসলিম পরিবার বাস করতেন। ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায় যে, খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে (১৪/১৫ হিজরী) ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে হযরত মামুন (রা:) ও হযরত মোহায়মিন (রা:) নামক সাহাবীদের নেতৃত্বে একদল মুবাল্লিগ বাংলাদেশে আগমন করেন। তাই সিলেট বিজয়ের পূর্বে এ দেশে খুব অল্প সংখ্যক মুসলমানদের বসবাস করার প্রমাণ পাওয়া যায়। তারই একজন বংশধর ছিলেন শেখ বুরহান উদ্দিন (রহ;)।

তাছাডা হবিগঞ্জের তরফে তত্কালে মোসলমানরা বসতির গড়ে ছিলেন। এ সময় শ্রীহট্টের গৌড় রাজ্যে গৌড়-গোবিন্দ নামে এক অত্যাচারি রাজার অধিনে ছিল। তখন মুসলমানরা হিন্দু যালিম রাজা গোবিন্দের কারণে গোপনে ইবাদত-বন্দেগী করতেন। কারণ সেখানে প্রকাশ্যে মুসলমানদের জন্য ইবাদত-বন্দেগী করা নিষিদ্ধ ছিলো। কেউই গরু জবাই ও কুরবানী করতে পারতো না।গাজী বুরহান উদ্দিনের কোনো সন্তান ছিলো না। সন্তানের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করে তিনি নিয়ত করলেন- যদি তার একটি সন্তান হয় তাহলে তিনি শুকরিয়াস্বরূপ মহান আল্লাহপাক উনার নামে একটি গরু কুরবানী করবেন। কিছুদিন অপেক্ষার পর সত্যি সত্যিই ঘর আলো করে একজন ফুটফুটে সন্তান জন্ম নিলো। খুশি হয়ে বুরহানউদ্দীন শুকরিয়া করে নিয়ত মুতাবিক একদিন গোপনে একটি গরু কুরবানী করে গোশত মুসলমানদের মধ্যে বিলি করতে লাগলেন। এমন সময় একটি চিল এসে ছোঁ মেরে এক টুকরা গোশত নিয়ে গেলো। মহান আল্লাহ পাক উনার কি কুদরত, চিলটি গোশত টুকরাটি ফেললো যবন গোবিন্দের মন্দিরের প্রধান প্রবেশ পথে। গোবিন্দ এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সৈন্য পাঠিয়ে শেখ বুরহান উদ্দিনকে রাজার সামনে উপস্থিত করলো। গৌড় রাজ্যের (বর্তমানে সিলেট) গাজী বোরহান উদ্দিন (র:) ̔র পূত্রের আকিকা উপলেক্ষ্য গরু জবাই করার কারনে রাজা গৌাড়াগোবিন্দ কর্তৃক অপরাধি সাবস্ত হন। যালিম হিন্দু রাজা গোবিন্দ বুরহান উদ্দিনের নিষ্পাপ সদ্য জন্ম নেয়া শিশুটিকে কথিত দেবতার সামনে বলি দিলো। এ অবস্থা দেখে শিশুটির মা অর্থাৎ শেখ বুরহান উদ্দিনের স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। শুধু এতটুকুই নয়, ওই যালিম গোবিন্দ ওই দিনই আক্রমণ চালিয়ে ওই এলাকার সকল মুসলমানদেরকে নির্মমভাবে শহীদ করে ফেললো।অত্যন্ত ব্যথিত অন্তরে গাজী বুরহান উদ্দিন (রহ:) পায়ে হেঁটে উপস্থিত হলেন সোনারগাঁয়ে শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ ̔র দরবারে। গাজী বোরহান উদ্দিন (রা:) ̔র ফরিয়াদ বাংলার তত্কালীন রাজা সুলতান শামসূদ্দিন ফিরোজ শাহ ̔র নিকট গিয়ে এই নিষ্ঠুর হ্ত্যা কাণ্ডের অভিযোগ করলে রাজা সব শুনে যবন ও যালিম হিন্দু রাজা গৌর গোবিন্দকে শাস্তি দেয়ার জন্য সৈন্য-সামন্ত পাঠালেন যুদ্ধ করার জন্য। বেশ কিছুদিন যুদ্ধ হলো, শত শত মুসলিম সৈন্য শহীদ হলো। কিন্তু জয় করা হলো না।এরপর শেখ বুরহান উদ্দিন রওয়ানা হলেন দিল্লীর পথে। দিল্লীর সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজীর ফিরোজ শাহ তুঘলকের সামনে। তিনি বুরহান উদ্দিনের নিকট হতে সব বিষয় শুনে বীরযুদ্ধা সিকান্দর গাজীকে প্রখণ্ড সৈন্য বাহিনীর সঙ্গে শ্রীহট্টের গৌড় রাজ্যে প্রেরণ করেন। শাহী সৈন্য যখন ব্রহ্মপুত্র নদী পার হতে চেষ্টা করে তখনই রাজা গোবিন্দ যাদুর শক্তির সাহায্যে মুসলিম সৈন্যের উপর অগ্নীবাণ নিক্ষেপ করে সমস্ত চেষ্টাকে বিফল করে ফেলে। সিকান্দর গাজীর নেতৃত্বে প্রেরিত সৈন্যরা গৌড়গোবিন্দের অগ্রিবান ও ঐন্দ্রজালিক শক্তি যাদুবিদ্যার কাছে বার বার পরাজিত হন এই দিল্লীর সম্রাট আলাউদ্দীন খিলজীর নিকট পৌছলে সম্রাট এ সংবাদে মর্মাহত হন।

অন্যদিকে তুঙ্গাচল রাজ্যের (পরে তরপ বা তরফ বর্তমানে হবিগঞ্জ) কাজী নূরউদ্দিন (র:) র পুত্রের বিয়ে উপলক্ষে গরু জবাই করার অপরাধে প্রানদন্ডে দন্ডিত হন। বাংলার সুলতানের দ্বারাস্ত হয়ে অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় কাজী নূর উদ্দিন (র:) ̔র ভাই কাজী হেলিম উদ্দিন (র:) দিল্লী রাজদরবারে উপস্থিত হয়ে সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজীর নিকট অভিযোগ উপস্থাপন করেন।

পরবর্তিতে সম্রাট দিল্লিতে ওনার পীর (হযরত খাজা নিজাম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি) ও রাজদরবারী আমেল-উলাম নিয়ে আধ্যাত্নিক পরামর্শসভার আয়োজন করেন। আলোচনায় এই মর্মে অবহিত হন যে, সুলতানের সেনাবাহিনীতে আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন এক ব্যক্তি রয়েছে, তার নেতৃত্বে অভিযান প্রেরণ করা হলে গৌড়গোবিন্দের যাদু বিদ্যার মোকাবেলা করে সিলেট বা শ্রীহট্ট জয় সম্ভব হবে। আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির পরিচয়ের পন্থা হিসেবে এও বলে ছিল, আগামী দুই/এক রাত্রের মধ্যে দিল্লী নগরীতে(আসো কালবৈশাখী ঝড় সমুদয় তাম্বু আদি সহ সমস্থ কিছু লণ্ডভণ্ড করে ফেলবে,তথাপী সে তুফান এই মর্যাদাবানের তাম্বুতে প্রজ্জলিত প্রদীপখানা পর্যন্ত নির্বাণ করতে সক্ষম হবেনা। সম্রাট অনুসন্ধান করে সেই ঝড় বৃষ্টির রাতে দেখতে ফেলেন একজন সাধারণ সৈনিক একটি তাঁবুতে একাগ্র মনে বসে ইবাদতে মগ্ন। সম্রাট সেখানে উপস্থিত হয়ে তার সব বিষয় অবগত হয়ে সিলেট অভিযানের নেতৃত্ব দেয়ার অনুরোধ জানান। সম্রাট হযরত নিজাম উদ্দিন আওলিয়া পরামর্শে সম্রাট সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ:)কে “সিপাহসালার” উপাধিতে ভুষিত করে বাংলায় পেরন করেন।সিপাহসালার রহ:প্রথম জীবনে(বংশীয় পরিচয় গোপন করে)তিনি দিল্লীর সুলতান ফিরোজ শাহ্‌ তুঘলকের অধীনে সেনাবিভাগে চাকুরী করতেন। হযরত নিজাম উদ্দিন আওলিয়া দিল্লীর সম্রাট সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির পীর ছিলেন।সিপাহসালা (র:)সুলতানের আত্মীয় ও সেনাপতি সিকান্দার শাহ্‌ গাজীর সহযোগীতা করার জন্য বতর্মান সিলেট যাদুবিদ্যার দেশ গৌড় ও তুঙ্গাচল অভিযানে প্রেরিত হন।সিপাহসালার বা( সিপা-ই-সালার) পদ এমন একটি পদ যা সাম্রাজ্যের সকল স্থানের সকল সেনার উপর আধিপত্য করে। কাজেই সিকান্দর গাজীর সৈন্যদেরও হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দিন সিপাহসালার (র:) ̔র আধিপত্য স্বাকীর করতে হয়।

সম্রাটের আদেশ পেয়ে তিনি দোয়া নিতে গেলেন হযরত খাজা নিজাম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে। তখন ওখানেই দিল্লীতে যাত্রা বিরত করে অতিথিলয়ে অবস্থান করছিলেন হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি। অতিথি খানায় এসে হযরত শাহজালালের (রহঃ) সঙ্গে সিপাহসালার সাক্ষাত হয়। সবকিছু শুনে হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি সিদ্ধান্ত নিলেন তিনিও সাইয়্যিদ নাসির উদ্দিনের সাথে এই অভিযানে যাবেন। আবার ঐতিহাসিক আজহার উদ্দীন ধরনা করে দিল্লীতেই বুরহান উদ্দীনের সাথে শাহ জালালের সাক্ষাৎ হয় এবং এখানেই বুরহান উদ্দীন নিজের দুঃখময় কাহিনী তার নিকট বর্ণনা করেন । অতঃপর হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সঙ্গীদের নিয়ে সৈয়দ নাসির উদ্দিন( রহ:)সৈন্যবাহিনীর সাথে রওয়ানা দিলেন। ১৩০১ খৃষ্টাব্দে উভয়ে মিলিতভাবে সিলেটের তৎকালীন হিন্দু রাজা গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করেন।

সিলেটে সৈয়দ নাসিরুদ্দিন সিপাহসালার রহ:আজান দেন। উদিত হলো নতুন সূর্য। উড়তে লাগলো ইসলামের পতাকা। গৌর রাজ্যের নতুন নাম হলো ‘জালালাবাদ’।সালতানিয়াতে দিল্লিতে বসানো আধ্যাত্নিক পরামর্শসভার স্বীদ্ধান্ত এবং তৎপরবর্তী ঘটনা(আসো কালবৈশাখী ঝড় সমুদয় তাম্বু আদি সহ সমস্থ কিছু লণ্ডভণ্ড করে ফেলবে,তথাপী সে তুফান এই মর্যাদাবানের তাম্বুতে প্রজ্জলিত প্রদীপখানা পর্যন্ত নির্বাণ করতে সক্ষম হবেনা। এবং বাস্তবেও তাই’ই ঘটে) এটাই পরিস্কার প্রমান করে যে সৈয়দ নাসিরউদ্দীন রঃ শাহজালাল রঃএর সাথে সঙ্গত হওয়ারও বহু আগে থেকেই শাহজলাল রঃএর সমমাকামেরই একজন তিফলে কামেল ছিলেন। অতএব তাঁরা কেউ কারো “সহকারী” নন, বরং উভয়ে উভয়ের “সহযুগী” ছিলেন।

হযরত শাহ্ জালাল রঃ এর জীবনী ও অভিযান মূলক সর্বপ্রাচীনতম গ্রন্থ সুহাইলে ইয়ামান। যে গ্রন্থ থেকে এদেশের মানুষ শাহ্ জালাল রঃএর যাবতীয় তথ্যাদী পেয়েছেন। এই সুহাইলে ইয়ামনে ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যে ২৫১ জনের শুধু নামোল্যেখ, ৪ জনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি বর্ননা এবং শুধুমাত্র নাসিরুদ্দিন রঃএর উপর পূর্নঅধ্যায় বর্নিত আছে। তা ছাড়াও এই সুপ্রাচীতম বইয়ে বিশেষ ভাবে লক্ষ্যনীয় যে এতে শাহ্ জালাল রঃএর কারামতি সমুহের বর্ননার পাসাপাসি আর কারোও কারামতির বর্ননা না থাকলেও শুধুমাত্র সৈয়দ নাসিরুদ্দিন শাহ্ রঃএর বেশ কিছু কারামতির বর্ননা রয়েছে। যেমন, কাল বৈশাখী ঝড়ে সমস্ত তাবু উড়ে গেলেও নাসিরুদ্দিন শাহ্’র তাবুর বাতি পর্যন্ত নির্বাপিত হয়নি। হাতি দ্বারা বহন করা রাজা গৌড়গোবিন্দর তীর ধনুকের লোহার মনোমেন্ট, যা কোন মানুষের পক্ষে ছুড়া অকল্পনিয় তা নাসিরউদ্দিন শাহ্’র দ্বারা ছুড়ে মারা, ইত্যাদি।

সম্মিলিত সরকারি বাহিনী ও আউলিয়া বাহিনীর অভিযান ব্যর্থ করার জন্যে শ্রীহট্ট রাজ গেরড় গোবিন্দ (গৌড় গোবিন্দ) চেষ্টা করতে কোনরূপ কসুর করেননি। কিন্তু এবার গৌড় গোবিন্দ সফলকাম হতে ব্যর্থ হন। সন্ধির জন্যে একটি প্রস্তাব পাঠালেন। রাজা গৌড় গোবিন্দের অস্ত্রাগারে ছিলো কয়েক মন ওজনের বহু পুরাতন একটি লোহা নির্মিত ধনুক। হযরত শাহজালাল রহ: এর নিকট এই মর্মে চ্যালেঞ্জ পাঠানো হয়েছিলো যে, মুসলিম বাহিনীর কোন সৈনিক যদি ওই ধনুতে শর সংযোজন করতে পারেন তাহলে তিনি বিনা যুদ্ধে রাজ্য ছেড়ে দিবেন। ওই ধনুতে কোন বীরপুরুষ ইতোপূর্বে কোনদিন শর যোজন করতে পেরেছেন বলে জানা যায়নি। হযরত শাহজালাল (রঃ) মুসলিম বাহিনীতে ঘোষণা করলেন, ‘এমন কেউ আছো কি, যার জীবনে কোনদিন ফজরের (আছরের) নামাজ কাজা হয়নি! সেনাবাহিনী নিরব, নিস্তব্ধ। আল্লাহর নাম নিয়ে সৈয়দ নাসিরউদ্দিন সিপাহসালার (রঃ) রওয়ানা হলেন রাজা গৌড় গোবিন্দের অস্ত্রগারের দিকে। রাজ সিপাই, আমলারা তাঁকে দেখে ঠাট্টা-মশকরা, ব্যঙ্গাত্মক হাস্যরস করতে লাগলো। তিনি অস্ত্রাগারে প্রবেশ করে মস্তবড় লোহার ধনুকটি হাতে তুলে নিয়ে টান দিলেন, সঙ্গে সঙ্গে ধনুকটি বেঁকে গেলো। তিনি অবলীলাক্রমে লৌহ নির্মিত বিশেষ ধনুতে গুণ যোজনা করলেন। ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে কুসংস্কারবাদী দুর্বল চিত্তের রাজা পলায়ন করেন। তিনি একজন মুখলেছ/মুত্তাকী সৈয়দজাদা ছিলেন বলেই উচ্চমার্গের কারামতিসমুহ সঙ্গিয় ৩৬০জন আধ্যাত্নিক ব্যক্তিদের মধ্য থেকে হযরত শাহজালাল রঃ কেবল মাত্র উনার দ্বারাই করিয়ে ছিলেন। একজন সম্মানিত ইমামিয়া সিলসিলার সৈয়দ বা খাছ আওলাদে রসুল বলেই হযরত শাহজালাল রঃ একটা কারামতি যদি নিজে প্রকাশ করেছেন তো আরেকটা কারামতি নাসিরুদ্দীন রঃএর মাধ্যমে প্রকাশ করিয়েছেন। সিলেট বিজয়কে হযরত শাহজালাল (রঃ), তার আউলিয়া বাহিনী এবং রাজশক্তির সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর রক্তপাতহীন এক আধ্যাত্মিক বিজয় বলে গণ্য করা হয়। এসবই সৈয়দ নাসিরুদ্দিন শাহ্ রঃএর হায়দরী বিরত্বের প্রমান হিসাবেই বর্নিত। তা ছাড়া এই বিশাল আউলিয়ার কাফেলায় প্রত্যেকেরই ফজর ও আছরের সালাত কখনো না কখনো কাযা হলেও কেবল নাসিরুদ্দিন শাহরই জীবনে কখনোও কাযা হয়নি। সেটাও তাঁর আবুতুরাবিয়া আমলেরই বহিপ্রকাশ।

সিপাহসালাহ উত্তরাধিকারসুত্রে তিনি পেয়েছিলেন – অনমনীয় জিহাদী চেতনা এবং ইসলাম প্রচারের অদম্য বাসনা।

মতামত দিন