অন্যান্য

প্রসঙ্গঃ ইমাম হোসাইন আঃ, আশুরা, আজাদারী ও সৎকর্ম

আশুরার মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাতের কার

আশুরার মর্মান্তিক ঘটনা মানবেতিহাসে এক নজিরবিহিন বেদনাদায়ক ও হৃদয়গ্রাহী ঘটনা। এ ঘটনাতে কারবালার মরুপ্রান্তরে অত্যন্ত মর্মান্তিকভাবে শাহাদত বরণ করেছেন রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র সাইয়েদুশ শোহাদা ইমাম হুসাইন ও তার পরিবারবর্গ।

৬১ হিজরীর ১০ই মহররম আশুরার মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হয়; অর্থাৎ রাসূলের (সা.) ওফাতের মাত্র ৫০ বছরের ব্যবধানে তার পবিত্র আহলে বাইত তথা বংশধরকে মুসলমানদের মধ্যে একটি বিপথগামী গোষ্ঠী মর্মান্তিকভাবে শহীদ করে এবং নারী ও শিশুদের বন্দি করে। কিন্তু কেন এমন বিচ্যুতি ও ট্র্যাজেডির সূচনা হয়েছিল? বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মুহাম্মাদ রেজা নাসুরী এ প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। আমরা পাঠকদের জ্ঞাতার্থে উক্ত জবাবের সারাংশ এখানে তুলে ধরছি-

বস্তুত ৪টি প্রধান কারণে তৎকালীন মুসলমানরা রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইনের (আ.) আহ্বান সাড়া না দিয়ে কারবালার ট্র্যাজেডির সূত্রপাত ঘটিয়েছিল। সেগুলো হচ্ছে-

এক- একশ্রেণীর মুসলমানরা পবিত্র কোরআন ও রাসূলের (সা.) সুন্নতকে পরিহার করেছিল। পরিণতিতে তারা রাসূলের (সা.) আহলে বাইতকে উপেক্ষা করে এবং তাদের প্রতি অমানবিক আচরণ করতেও দ্বিধাবোধ করেনি।

দুই- আধ্যাত্মিকতা থেকে বিরত হওয়া। অর্থাৎ তারা দুনিয়ার চাকচিক্য ও মোহে পরকালের কথা ভুলে নাফসের দাসত্বের শিকার হয়েছিল।

তিন- ধর্মীয় চেতনার বিচ্যুতি। আশুরার ঘটনার সময়কার মানুষের মধ্যে ধর্মীয় চেতনার চরম ব্যত্যয় ঘটেছিল। এ কারণে তারা ইমাম হুসাইনের (আ.) আনুগত্য পরিহার করে ইয়াজিদের মত নরাধম ও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির আনুগত্যের কাছে মাথানত করেছিল।

চার- ধর্মীয় শিক্ষা ও আকিদার প্রতি অনিহা।

কাজেই উপরোক্ত চারটি কারণে মানবেতিহাসে আশুরার মত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল।

 

 

 

ইমাম হোসাইন আঃএর আযাদারীর গুরুত্ব

রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় নাতি ইমাম হুসাইনের (আ.) শাহাদতের কথা স্বরণ করে ক্রন্দন ও আযাদারি বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, কেয়ামতের দিন সমস্ত চক্ষু ক্রন্দনরত থাকবে, কিন্তু যে চক্ষু ইমাম হুসাইনের (আ.) জন্য ক্রন্দন করেছে সে চক্ষু ব্যতীত।

রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় নাতি ইমাম হুসাইনের (আ.) শাহাদতের কথা স্বরণ করে ক্রন্দন ও আযাদারি বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, কেয়ামতের দিন সমস্ত চক্ষু ক্রন্দনরত থাকবে, কিন্তু যে চক্ষু ইমাম হুসাইনের (আ.) জন্য ক্রন্দন করেছে সে চক্ষু ব্যতীত।

সাইয়েদুশ শোহাদা ইমাম হুসাইনের (আ.) ক্রন্দনের অর্থ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটলতা এবং মিথ্যা ও বাতিলের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। কেননা ইমাম হুসাইন (আ.) ৬১ হিজরীর মহররম মাসে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদের দু:শাসনের বিরুদ্ধে এবং পবিত্র ইসলাম ও কোরআনের শিক্ষাকে রক্ষার্থে নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেছেন। আর অপরদিকে ইয়াজিদি চক্র ভেবেছিল ইমাম হুসাইনকে (আ.) শহীদ করতে পারলে তাদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত হবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্নরূপ ধারণ করে। ইমাম হুসাইনের (আ.) শাহাদতের পর মুসলমানরা তার শাহাদতের ইতিহাস স্বরণ করে নিজেদের ঈমানী চেতনাকে শানিত করে। কেননা তার শাহাদতের মধ্যে বাতিলের বিরুদ্ধে জিহাদ এবং সত্যের পথে অটল থাকার শিক্ষা রয়েছে।

এখানে আমরা ইমাম হুসাইনের শাহদতের স্বরণে ক্রন্দনের ফজিলত সম্পর্কে মাসুমীন (আ.) থেকে বর্ণিত কয়েকটি হাদীস তুলে ধরছি-

ইমাম রেযা (আ.) বলেছেন : ইমাম হুসাইনের (আ.) ক্রন্দন মানুষের গুনাহ মোচন করে।

ইমাম জাফর সাদীক (আ.) বলেছেন : যদি কেউ ইমাম হুসাইনের (আ.) ক্রন্দন করে করে বিন্দু পরিমাণ অস্রু বিসর্জন দেয়; তাকে সর্বোত্তম পুরুস্কারে ভুষিত করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ। আর আল্লাহ তাকে বেহেশত প্রবেশ না করান পর্যন্ত সন্তুষ্ট হবে না।

আরও একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, যদি কেউ ইমাম হুসাইনের (আ.) জন্য ক্রন্দন করে কিংবা কাউকে ক্রন্দন করায়; তবে সে বেহেশতে প্রবেশ করবে।

 

 

আশুরার ঘটনা প্রচারে ইমাম সাজ্জাদ আঃএর ভুমিকা

ইসলামকে বিলীন করে দেয়ার উমাইয়া ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে শহীদগণের নেতা ইমাম হুসাইন (আ.) কারবালার যে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন সে বিপ্লবের বাণী ও প্রকৃত ঘটনা যিনি পরবর্তী যুগের মুসলমানদের জন্যে সংরক্ষিত করেছিলেন তিনিই হলেন মহাপুরুষ হযরত আলী বিন হুসাইন তথা যাইনুল আবেদীন (আ.)।

পিতা ইমাম হুসাইনের (আ.) পর নতুন ইমাম হিসেবে তিনি কুফা ও দামেস্কে জালিম শাসকদের দরবারে বীরত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়ে তাদের আতঙ্কিত করে তুলেন। ফলে গণ-বিদ্রোহের ভয়ে আতঙ্কিত জালিম ইয়াজিদ কারবালা থেকে বন্দী করে আনা নবী-পরিবার ও ইমামের সঙ্গীদেরকে মুক্তি দিতে এবং তাঁদেরকে সসম্মানে মদীনায় পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হয়।

সিরিয়ার মসজিদে নবী-বংশকে ও হযরত আলী (আ.)-কে গালি-গালাজ করা হত মুয়াবিয়ার আমল থেকেই। কারবালার ঘটনার পর আহলে বাইতকে বন্দি করে সিরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় সেখানের মসজিদে হযরত আলী (আ.) ও ইমাম হুসাইন (আ.)-কে উদ্দেশ করে অপমানজনক কথা বলে বেতনভোগী খতিব।

ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ.) উক্ত খতিবকে উদ্দেশ্য করে বললেন: খতিব তুমি ইয়াজিদকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে দোযখে স্থান তৈরি করেছ নিজের জন্য।

তিনি ইয়াজিদের দিকে ফিরে বললেন, আমাকেও মিম্বরে যেতে দাও, কিছু কথা বলব যাতে আল্লাহ খুশি হবেন ও উপস্থিত লোকদের সওয়াব হবে। উপস্থিত লোকদের চাপের মুখে ইয়াজিদ অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজি হয়। (ইয়াজিদ লোকদের প্রতি বলেছিল ইনি এমন এক বংশের লোক যারা ছোটবেলায় মায়ের দুধ পানের সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানও অর্জন করতে থাকে)।

ইমাম সাজ্জাদ(আ.)মহান আল্লাহর অশেষ প্রশংসাসূচক কিছু বাক্য বলার পর বলেছিলেন: হে জনতা! আল্লাহ আমাদের ছয়টি গুণ ও সাতটি মর্যাদা দিয়েছেন। জ্ঞান, সহনশীলতা, উদারতা, বাগ্মিতা, সাহস ও বিশ্বাসীদের অন্তরে আমাদের প্রতি ভালবাসা। আমাদের মর্যাদাগুলো হল রাসূল (সা.), আল্লাহর সিংহ ও সত্যবাদী আমিরুল মু’মিনিন আলী (আ.), বেহেশতে দুই পাখার অধিকারী হযরত জাফর আততাইয়ার (রা.), শহীদদের সর্দার হামজা (রা.), রাসূল (সা.)’র দুই নাতী হযরত হাসান ও হুসাইন (আ.) আমাদের থেকেই, আর আমরাও তাঁদের থেকেই।

যারা আমাকে জানে ও চেনে তারা তো জানেই, যারা জানে না তাদেরকে জানাচ্ছি আমার বংশ-পরিচয়: হে জনতা! আমি মক্কা ও মিনার সন্তান, আমি যমযম ও সাফা’র সন্তান। আমি তাঁর সন্তান যিনি হজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) তুলেছিলেন তাঁর কম্বলের প্রান্ত ধরে, আমি ওই শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির সন্তান যিনি কাবা তাওয়াফ করেছেন ও সাই করেছেন (সাফা ও মারওয়ায়) তথা হজ করেছেন। আমি এমন এক ব্যক্তির সন্তান যাকে একরাতেই মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল (রাসূলের মেরাজের ইঙ্গিত)।… আমি হুসাইনের সন্তান যাকে কারবালায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমি আলীর সন্তান যিনি মুর্তাজা (অনুমোদনপ্রাপ্ত), আমি মুহাম্মদের সন্তান যিনি বাছাইকৃত, আমি ফাতিমাতুজ জাহরার সন্তান, আমি সিদরাতুল মুনতাহার সন্তান, আমি শাজারাতুল মুবারাকাহ বা বরকতময় গাছের সন্তান, হযরত খাদিজা (সা.)’র সন্তান আমি, আমি এমন একজনের সন্তান যিনি তার নিজের রক্তে ডুবে গেছেন, আমি এমন একজনের সন্তান যার শোকে রাতের আধারে জিনেরা বিলাপ করেছিল, আমি এমন একজনের সন্তান যার জন্য শোক প্রকাশ করেছিল পাখিরা।

 

 

ন্যায় কর্মের নির্দেশ ও অন্যায় কর্মে নিষেধের গুরুত্ব

ইসলাম রক্ষার্থে, নবীজীর সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার্থে, সত্‍ কাজের আদেশ এবং অসত্‍ কাজের নিষেধের দায়িত্ব পালনে নির্মমভাবে শাহাদাত্ব রণ করেন ইমাম হোসাইন (আ) সহ তাঁর সঙ্গী-সাথীগণ৷ তাঁদের এই ঐতিহাসিক আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় ইতিহাসের সবচে নির্মমতম ও বেদনাঘন মহান আদর্শ। যে মহা আদর্শের নায়ক হলেন নবীজীর প্রিয় সন্তান ইমাম হোসাইন (আ)। আর প্রতিপক্ষে ছিল ইসলামের ইতিহাসের সর্বনিকৃষ্ট চরিত্র ও কাপুরুষ ইয়াযিদ৷ ইয়াজিদ এমন একটি অভিশপ্ত নাম যে নামটির উচ্চারণে মুসলমানমাত্রই দ্বিধাগ্রস্ত৷ পক্ষান্তরে ইমাম হোসাইনের নামের সাথে মিল রেখে মুসলমানরা তাদের সন্তানদের নাম রাখছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকবে৷ এখানেই সুস্পষ্ট হয়ে যায় সত্য-মিথ্যা৷ এখানেই সূচিত হয় মুহররম বিপ্লবের বিজয়৷

ইমাম হুসাইনের আন্দোলনের কারণ হিসাবে অপর দু’টি কারণ উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে তাঁর আন্দোলনের একমাত্র কারণই ছিল সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ। পবিত্র কোরআন ও রাসূলের হাদীসে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধের ব্যাপারে যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সেই নির্দেশের অনুবর্তী হয়েই ইমাম হুসাইন (আ.) বিদ্রোহ করেছেন।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে:

ولْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُوْنَ إِلَى الْخَيْرِ وَ يَأْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَ يَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَ أُوْلَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ

তোমাদের মধ্যে এমন একদল হোক যারা সৎ কাজের আদেশ করবে এবং অসৎ কাজে বাধা দেবে, তারাই সফলকাম।

কোরআন মজীদ আরো বলছে:

كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ للنَّاسِ تَأْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَ تَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرْ

তোমরা মানব জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ জাতি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে, (কারণ) তোমরা সৎ কাজের আদেশ কর ও অসৎ কাজে নিষেধ কর।

ইমাম হুসাইন মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের মাধ্যমে।

পবিত্র তাসূয়া বা নয়ই মহররম হচ্ছে শহীদগণের নেতা হযরত ইমাম হোসাঈন (আঃ)’র শাহাদাত লাভের আগের দিবসের বার্ষিকী ৷ ইসলাম ধর্মকে ভেতর থেকে নিষ্প্রাণ ও বিকৃত করার যে প্রক্রিয়া উমাইয়া শাসকরা শুরু করেছিল ইসলামী খেলাফতের আসনে ইয়াজিদের আরোহন ছিল এই বিকৃতিকে পাকাপোক্ত করার চূড়ান্ত ব্যবস্থা ৷

আর এ সময়ই ইসলামকে চিরতরে বিকৃত করার প্রচেষ্টা নস্যাতের জন্যে এগিয়ে আসেন বিশ্বনবী (সা.)’র সুযোগ্য দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (আ.)।

একদিকে এজিদের নেতৃত্ব মেনে নেবার জন্যে প্রবল চাপ ও অন্যদিকে মুসলমানদের ইমাম হিসেবে তাঁর প্রতি কুফা নগরীর জনগণের ব্যাপক সমর্থন ঘোষণার প্রেক্ষাপটে তিনি জনগণকে ‍এজিদের তাগুতি শাসনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ করার প্রয়াস পান এবং কুফার দিকে অগ্রসর হন।

কিন্তু ইমাম হোসাইন (আ.) পথিমধ্যে এজিদের সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মাধ্যমে বার বার বাধাপ্রাপ্ত হন। অবশেষে কারবালার প্রান্তরে উমর বিন সাদের নেতৃত্বে ইয়াজিদের চার হাজার সেনা ৭২ জন সঙ্গীসহ ইমাম হোসাইন (আ.)ও তাঁর পরিবার পরিজনকে হয় ইয়াজিদের আনুগত্য স্বীকার নতুবা যুদ্ধ এ দুইয়ের যে কোনো একটি পথ বেছে নেয়ার আহ্বান জানায়৷

ইমাম হোসাইন (আ.) চূড়ান্ত যুদ্ধের আগে মহান আল্লাহর দরবারে নিবিষ্টচিত্তে শেষবারের মতো নৈশ এবাদতে মশগুল হবার জন্যে একটি দিন সময় চেয়ে নেন৷ এরপরের ঘটনা সবারই কম-বেশী জানা আছে।

দশই মহররম তারিখে ইমাম হোসাঈন (আ.) ও তাঁর ৭২ জন সঙ্গী-সাথী শাহাদত লাভের কথা নিশ্চিত জেনেও বীর বিক্রমে ইয়াজিদের তাগুতী সেনাদের সাথে লড়াই করে শহীদ হন৷

তাঁদের আত্মত্যাগ ইসলাম ও মানবতার মর্যাদা রক্ষা করতে সমর্থ হয় এবং তাঁরা ইতিহাসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাগরণের চিরন্তন প্রতীক ও ইসলাম ধর্মের প্রকৃত চেতনার রক্ষক হিসেবে অমরত্ব লাভ করেন।

 

মতামত দিন